গরমের বাতাসে জেগে ওঠা ইচ্ছা

আমি জয়, বয়স ২৬। সারাদিন বন্ধুদের সাথে আড্ডা আর ঘুরে বেড়ানোই ছিল আমার কাজ। বাড়িতে আমি, মা-বাবা, বড় ভাই, ভাবি আর বড় কাকি থাকি। একদিন বাবা বললেন, “এবার তো একটা কাজ কর। তোর দুলাভাই বলেছে তোর জন্য একটা কাজ খুঁজে দেবে, তুই কয়েকদিনের জন্য তোর বোনের ওখানে যা।” বাবার কথায় পরের দিনই আমি ঢাকা চলে আসি।

আমার ছোট বোন মিতুর বয়স ২৪, বিয়ে হয়েছে মাত্র এক বছর। ঢাকার একটি এলাকার পাঁচতলার ছাদে এক রুমের বাসায় ওরা থাকে। দুলাভাই গার্মেন্টসে কাজ করেন। আমি বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে, খাওয়া-দাওয়া শেষ করে শুয়ে পড়লাম। রাতে দুলাভাই ফিরলে আমরা তিনজন গল্প করে একসাথে রাতের খাবার খেলাম। ছাদের ঘর হওয়ায় প্রচণ্ড গরম ছিল। রাতে এক খাটেই আমরা তিনজন শুয়ে পড়লাম—দুই পাশে আমি ও দুলাভাই, আর মাঝে মিতু। গরমে আমি আর দুলাভাই শুধু লুঙ্গি পরেছিলাম, আর মিতু পরেছিল পায়জামা ও গেঞ্জি। বোনের শারীরিক গঠন দেখে আমার মনে উত্তেজনার সৃষ্টি হলো, তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।

সকালে উঠে দেখি আমার গায়ে কাঁথা দেওয়া, পাশে দুলাভাই ঘুমাচ্ছেন আর বোন রান্নাঘরে কাজ করছে। একটু পর দুলাভাই অফিসে চলে গেলেন আর আমি বাইরে ঘুরতে বের হলাম। এভাবে তিন দিন কেটে গেল। চতুর্থ দিন দুপুরে বাইরে থেকে ফিরে ঘরে ঢুকে দেখি বোন কেবল গোসল করে এসেছে, তার গায়ে কোনো কাপড় নেই। সে আমার দিকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ আমাকে দেখে সে চমকে উঠল এবং অপ্রস্তুত হয়ে বলল, “প্রচণ্ড গরম, তাই একটু বাতাস খাচ্ছিলাম।” আমি বললাম, “ঠিক আছে।” এরপর সে দ্রুত কাপড় পরে নিল।

পরের দিন ছিল শুক্রবার। বিকেলে আমি একটু বাইরে গিয়েছিলাম, কিন্তু গরমে মাথা যন্ত্রণা করায় তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে আসি। নিজের কাছে থাকা চাবি দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে দেখি, বোন ও দুলাভাই দুজনেই সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় মেলামেশা করছে। আমাকে দেখে দুলাভাই বললেন, “অনেকদিন সুযোগ হয় না, আর তুমি আসার পর রাতেও সময় পাওয়া যায় না। তাই এখন একটু করছি।” আমি বললাম, “ঠিক আছে, তোমরা করো, আমি ছাদে যাচ্ছি।” কিন্তু বোন আমাকে রুমে থাকতে বলল। আমি লুঙ্গি পরে খাটের একপাশে বসে ওদের কাণ্ড দেখতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর দুলাভাই ফ্রেশ হতে বাথরুমে গেলেন। আমার শরীর তখন উত্তেজনায় কাঁপছিল। আমি আর নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বাথরুমে গিয়ে নিজের উত্তেজনা প্রশমন করে এলাম।

রাতে খাওয়া শেষে আমরা আবার যথারীতি শুয়ে পড়লাম। মাঝরাতে দুলাভাই ও বোন আবার মেলামেশা শুরু করল। দুলাভাইয়ের পর বোন যখন ঘুমিয়ে পড়ল, তখন আমার উত্তেজনা চরম সীমায় পৌঁছে গেল। আমি বিছানা থেকে উঠে শরীরে তেল মেখে বোনের কাঁথার নিচে ঢুকে তাকে জড়িয়ে ধরলাম। বোন চমকে উঠে ফিসফিস করে বলল, “কী করছিস এটা?” আমি বললাম, “চুপ থাকো, আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছি না।” সে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও পাশে দুলাভাই ঘুমাচ্ছেন ভেবে জোরে চিৎকার করতে পারল না। আমি তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তার সাথে মেলামেশা শুরু করলাম। একপর্যায়ে সে শান্ত হয়ে ফিসফিস করে বলল, “এটা ঠিক না, তোর দুলাভাই দেখলে সমস্যা হবে।” কিন্তু আমি কোনো কথা না শুনে নিজের ইচ্ছা পূরণ করলাম এবং শেষে তাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম।

সকালে যখন ঘুম ভাঙল তখন সকাল ১১টা। ফ্রেশ হয়ে খাওয়ার সময় বোন আমাকে জিজ্ঞেস করল, “তুই কাল রাতে এমন কেন করলি?” আমি উত্তর দিলাম, “নিজেকে সামলাতে পারিনি।” এরপর আমি আবার তাকে জোর করে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এলাম এবং একের পর এক অনৈতিক কাজে লিপ্ত হলাম। বিকেলে আবার তার সাথে মেলামেশা করলাম।

রাতে দুলাভাই ফিরলে আমরা খাওয়া শেষ করে শুয়ে পড়লাম। মাঝরাতে দুলাভাই বোনের সাথে মেলামেশা শুরু করলে আমার আবার উত্তেজনা জেগে উঠল। আমি সবার সামনেই নিজের পোশাক খুলে মেলামেশা করার ইচ্ছা প্রকাশ করলাম। দুলাভাই দেখে অবাক হয়ে বললেন, “আরে, কী করছিস? নিজের বোনের সাথে এগুলো কী?” আমি বললাম, “আমি আর কন্ট্রোল করতে পারছি না।” দুলাভাই নিজের কাজ শেষ করে সরে গেলে আমি আবার বোনের সাথে লিপ্ত হলাম। দুলাভাই বাথরুম থেকে ফিরে এসে বললেন, “শেষ পর্যন্ত বোনের সাথেও এটা করলি!” এরপর থেকে সুযোগ পেলেই আমি বোনের সাথে মেলামেশা করতাম।

একদিন সকালে আমি আর বোন ঘরে লিপ্ত ছিলাম, এমন সময় দরজায় নক করার শব্দ হলো। বোন দ্রুত চাদর জড়িয়ে নিল আর আমি গামছা পরে দরজা খুলতে গেলাম। গিয়ে দেখি আমাদের বড় ভাই রাজ এসেছে। ভাই বলল, “বিশেষ কিছু কাজে ঢাকা এসেছিলাম, তাই দেখা করতে এলাম।” ভাই রুমে ঢুকে বোনকে ওই অবস্থায় দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “তোদের সারা গায়ে এত তেল কেন?” বোন পরিস্থিতি সামাল দিতে বলল, “প্রচণ্ড গরম, তাই ভাইকে দিয়ে একটু তেল মালিশ করাচ্ছিলাম।” ভাই বলল, “তা ঠিক।” তখন বোন আমাকে বলল, “তাড়াতাড়ি মালিশ শেষ কর।” আমি তখন কোনো দ্বিধা না রেখে ভাইয়ের সামনেই বোনের সাথে লিপ্ত হলাম। ভাই দেখে বলল, “আরে, তোরা ভাই-বোন মিলে কী করছিস?” আমি বললাম, “ভাই, একে আমি কয়েকদিন ধরেই ভোগ করছি, তুমিও চাইলে দেখতে পারো।” ভাই প্রথমে বাধা দিলেও পরে নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আমাদের সাথে যোগ দিল। এভাবে বিকেল পর্যন্ত আমরা দুই ভাই বোনের সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকলাম। সন্ধ্যায় ভাই চলে গেল।

কয়েকদিন পর খবর এলো বাড়িতে বাবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। খবর পেয়ে আমি, বোন ও দুলাভাই দ্রুত গ্রামে চলে গেলাম। হাসপাতালে মা ও কাকিমা বাবার পাশে রইলেন। রাতে আমরা সবাই বাড়ি ফিরে এলাম। রাতের খাবার শেষে ভাবি তার রুমে চলে গেলে, আমি, ভাই ও দুলাভাই মিলে বোনকে বাবার রুমে ডেকে নিলাম এবং সেখানে আবার সবাই মিলে লিপ্ত হলাম।

পরের দিন সকালে ভাই ও ভাবি হাসপাতালে চলে গেলেন। বোন দুপুরের রান্না শেষ করল। দুপুরে আমার আবার বোনকে পাওয়ার ইচ্ছা হলে আমি ও দুলাভাই মিলে তাকে রুমে নিয়ে গেলাম। এমন সময় সদর দরজায় শব্দ হলো। আমি ভাবলাম ভাই এসেছে, তাই দরজা খুলতে গেলাম। কিন্তু দরজা খুলে দেখি ভাই আর মা একসাথে এসেছেন। মা আমাকে ওই অবস্থায় দেখে চিৎকার করে উঠলেন, “তুই এমন কেন? ঘরে কী হচ্ছে?” মা ঘরে ঢুকে দুলাভাই ও বোনকে ওই অবস্থায় দেখে স্তব্ধ হয়ে গেলেন।

ঠিক তখনই দুলাভাই গিয়ে মাকে জাপটে ধরলেন। মা নিজেকে ছাড়ানোর জন্য ছটফট করতে লাগলেন এবং বললেন, “ছিঃ! তোরা একী করছিস?” কিন্তু দুলাভাই মায়ের সব বাধা উপেক্ষা করে তার গায়ের কাপড় খুলে ফেললেন। মা বয়সের তুলনায় বেশ আকর্ষণীয় ছিলেন। দুলাভাই মায়ের সাথে জোরপূর্বক লিপ্ত হলেন। এই দেখে আমি মায়ের পায়ে তেল মাখিয়ে দিতে লাগলাম এবং দুলাভাইয়ের পর আমি মায়ের সাথে লিপ্ত হলাম। মা একসময় নিস্তেজ হয়ে কেঁদে ফেললেন। ওদিকে ভাই বোনকে নিয়ে অন্য ঘরে চলে গেল।

এরপর থেকে আমাদের বাড়িতে সব ধরনের নৈতিকতার দেয়াল ভেঙে গেল। রাতে আমরা তিন পুরুষ—আমি, ভাই ও দুলাভাই—বিশেষ ওষুধ খেয়ে মা ও বোনকে নিয়মিত ভোগ করতে লাগলাম। শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে বাড়ির ভাবি এবং কাকিমাকেও আমরা আমাদের এই অনৈতিক চক্রের মধ্যে শামিল করে নিলাম।

Leave a Reply